ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ও রাজনীতির ইতিহাস এক চিরস্থায়ী ও অবিস্মরণীয় নাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শুধু বাংলাদেশের নয়, তখনকার সমগ্র তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম জাতীয়তাবাদী নেতা জিয়াউর রহমানের রাজনীতিতে আবির্ভাব ও উত্থান এক বিস্ময়কর ঘটনা।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের প্রতীক। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম স্রষ্টা এবং স্থপতি। একাত্তর সালের দিশেহারা দুর্যোগের ঘন তমসার মধ্যেই তিনি নির্ভীক চিত্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। জাতি তাঁর কণ্ঠে শুনতে পেয়েছিল দিশারীর আহবান। তিনি অভয় দিয়ে বলেছিলেন, জয় আমাদের হবেই।
জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস কিংবদন্তীর মহানায়ক। তিনি এক মহান মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর নেতৃত্ব আমাদের ইতিহাসে চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এ ভূখণ্ডের হাজার বছরের এক শ্রেষ্ঠ সৈনিক তিনি। এ দেশের গণতন্ত্রের মুক্তিদাতা। স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৭ নভেম্বর, জাতি গঠন সকল ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব, যোগ্যতা, বিশ্বস্ততা ও আস্থার সাথে জনগণের সামনে থেকে দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
একজন মেজর যে কী অসাধারণ মেধা ও প্রজ্ঞা দ্বারা একটি জাতির স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মুক্তির দূত হয়ে আবির্ভূত হতে পারেন তার উদাহরণ সারাবিশ্বে সম্ভবত একটাই(তিনি জিয়াউর রহমান। অনাগত হাজার বছরে বাংলাদেশ এমন একজন নেতা পাবে কি না তা কেবল ভবিষ্যতই বলতে পারে।
১৯৭৮ সালের ৭ মে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠনের পর ফ্রন্টের জনৈক নেতার প্রতি সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল(আপনারা একজন ব্যক্তির সঙ্গে ফ্রন্ট গঠন করলেন কেন? জবাবে নেতা বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু একজন ব্যক্তিই নন। সাংবাদিকদের প্রশ্ন, তবে তিনি কি?
জিয়াউর রহমান একজন সৈনিক, একজন মেজর, একজন জেনারেল, একজন সেনাপ্রধান, একজন রাষ্ট্রপ্রধান এবং সর্বোপরি একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তিনিই স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম অকুতোভয় সৈনিক এবং জাতির কাণ্ডারী। নিয়তির অমোঘ পরিণতি ‘মৃত্যু’ ছাড়া তাঁর জীবনে আর কোনও ব্যর্থতা নেই। তিনি বাংলাদেশের সর্বাধিক আলোকিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব; সর্বাধিক আলোচিত এবং আলোকিত জাতীয় নেতা।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়(“সৈনিক যে পথ দিয়ে হেঁটে যায়, সে পথের ধূলিও পবিত্র।” জিয়াউর রহমান ছিলেন সেইসব পবিত্র সৈনিকদের প্রতিভূ। সুতরাং তিনি একজন ব্যক্তিই মাত্র নন, তিনি একটি ইনস্টিটিউশন।
জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের মানুষ প্রথম চেনে ১৯৭১ সালে। পাকিস্তানী হায়েনাদের হিংস্র থাবায় জাতি যখন ক্ষতবিক্ষত, ন্যূনতম মৌলিক অধিকার যখন পদদলিত, তখন স্বাধীনতার দাবি উঠলে রাতের অকারে জনতার ওপর নেমে আসে মেশিনগানের ব্রাশফায়ার। জাতির এমন চরম সংকট মুহূর্তে তথাকথিত রাজনীতিবিদদের দেখা মেলেনি। তাদের কেউ যায় বুড়িগঙ্গা পেরিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে, কেউ যায় সীমান্তের ওপারে, নেতা অপেক্ষায় থাকেন কখন আসবে ‘স্বজনরা’। মুহূর্তের মধ্যেই নেতৃত্বহীন হয়ে পড়ে জনগণ। নিজের বাঁচার পথ নিজেকেই বেছে নিতে হয়। উপলব্ধি থেকে আসে সিদ্ধান্ত। নেতৃত্বহীন মানুষ সামনে এগিয়ে চলে। পেছনে পড়ে থাকে তথাকথিত রাজনীতিবিদের পরিচ্ছন্ন পোশাক। এমনি সময়ে প্রতিরোধের মশাল জ্বলে ওঠে।
চট্টগ্রামের ষোলশহরের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকের প্রাণপ্রিয় নেতার ডাকে। মেজর জিয়া তখন নিজ দায়িত্ব ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তখন থেকেই জিয়াউর রহমানের নামের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় এবং তখন থেকে তাঁর সম্পর্কে আমি জানতে পারি। আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। সেই সময় স্বাধীন বাংলা বেতর কেন্দ্র মুহূর্ত। স্বাধীনতার ঘোষণা শোনার সময় আমার মনে যে আনন্দ-অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা ভাষার প্রকাশ করা কঠিন। এটা ছিল আমার জীবনের এক স্বরণীয় মুহূর্ত। মেজর জিয়ার এই ঘোষণা বাংলাদেশের ঝিমিয়ে পড়া লক্ষ-কোটি বাঙালিকে জাগিয়ে তুলেছিল। তাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল স্বাধীনতার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিতে। এই ঘোষণায় উদ্দীপ্ত হয়ে ২৩ বছরের পাকিস্তানী শাসন-শোষণের অবসান ঘটানোর জন্য বাংলার জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তানী হায়েনাদের বিরুদ্ধে সৃষ্টি করে প্রবল প্রতিরোধ। দিকভ্রান্ত জাতি খুঁজে পায় পথ। পিরে পায় আত্মবিশ্বাস। মাটির প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা আর দেশপ্রেমের অস্ত্রে তারা পরাস্ত করে প্রবল পরাক্রমশালী পাকবাহিনীকে। গৌরবময় এই বিজয়ের সূচনা জিয়ার হাত ধরেই।
যারা আগে থেকেই স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন, স্বপ্ন দেখতেন সুখী শোষণহীন সমাজের, মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ফলে তাদের স্বপ্ন দেখতেন সুখী শোষণহীন সমাজের, মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ফলে তাদের স্বপ্ন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং এই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য তারা প্রাণপণ চেষ্টা শুরু করেন। জিয়ার এই সাহসী সময়োপযোগী ভূমিকার ফলে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-শ্রমিক, মজুর তথা সর্বস্তরের মানুষ নিজ দেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। যারা জীবনে কোনদিন অস্ত্র ধরেনি, শৃংখলাবোধের সাধারণ জ্ঞানও যাদের মধ্যে ছিল না, রণকৌশল অশিক্ষিত সেইসব সাধারণ মানুষ কাঁধে অস্ত্র নিয়েছে, হাতে নিয়েছে গ্রেনেড, কোমরে নিয়েছি কাতুêজ, যুদ্ধ করেছে অত্যন্ত সুশৃংখলার সঙ্গে। মাত্র ১০ বা ১৫ দিনের প্রশিক্ষণের সাহায্যে শিখে নিয়েছে রণকৌশল, গেরিলা পদ্ধতিতে একের পর এক আক্রমণ করেছে শত্রুদের ঘাঁটি, ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে প্রতিপক্ষের বূøহ। অর্জন করেছে স্বাধীনতার লাল সুর্য।
নিরহংকার এই মানুষটি সারাজীবন একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক চেতনার সঙ্গে একজন সাধারণ মানুষের চেতনায় তফাৎ ছিল না। তফাৎ ছিল শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষিপ্রতায়। তফাৎ ছিল জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার প্রেরণায়। এখানেই হতভম্ব রাজনীতিবিদ এবং অন্যান্য মানুষের সাথে তাঁর অনন্যতা।
জিয়াউর রহমান ছিলেন অসীম সাহসী সৈনিক, প্রজ্ঞাবান, নিরহংকার অথচ দৃপ্ত জেনারেল এবং সেনাপ্রধান; বিচক্ষণ ও দূরদর্শী রাজনীতিক। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে বিশৃংখল সেনাবাহিনীকে যিনি ঐক্যবদ্ধ রাখতে পেরেছিলেন, যাকে সামনে রেখে তারা জনগণের কাছে বিশ্বস্ত হয়েছিল, ৩ নভেম্বরের বিশৃংখল অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করে ৭ নভেম্বর রাতে সিপাহী-জনতার প্রতিরোধে যিনি সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন(তিনিই জেনারেল জিয়া। ১৯৭১ সালের মতো সেদিনের কণ্ঠস্বরও বাংলাদেশের মানুষ ভুলবে না। ভুলবে না কিভাবে তাঁর এক ডাকে সিপাহীরা ব্যারাকে ফিরে যায়, ভুলবে না কিভাবে নির্ভীকতার সঙ্গে দমন করা হয় পরবর্তী কয়েকদিনের সকল চক্রান্তকে। এভাবে প্রতিটি সংকটে জাতির প্রয়োজনে যে জেনারেলের ডাকে প্রতিটি সৈনিক অফিসার ঐক্যের বনে অটুট থাকতে পারে তিনিই তো যোগ্য সেনানায়ক। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে তিনি কেবল একজন সেনাপ্রধানই নন, সমগ্র জাতির সেনানায়ক।
একজন যোগ্য নেতার কাজ হলো সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া। নিজেকে আদর্শ হিসেবে জাতির সামনে তুলে ধরা। জনগণ তাকে দেখেই সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা, দেশপ্রেম প্রভুতি শিখবে। জিয়াত্ম রহমান তেমনি একটি আদর্শ, তেমনি একজন নেতা।
তিনি যুদ্ধ দেখিয়েছেন কিভাবে লড়তে হয়, খাল কেটে দেখিয়েছেন কিভাবে উন্নয়ন করতে হয়, কিভাবে সাধারণ মানুষকে আপন করে নেয়া যায়। তিনি সকাল থেকে গভীর রাত অবধি ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে দেখিয়েছিনে দেশের উন্নতির জন্য কিভাবে কাজ করতে হয়। সততার বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ক্ষমতার সর্বোচ্চ পদে থেকেও। সবচেয়ে বড় সত্য হলো একজন সৈনিক হয়েও তিনিই এদেশের গণতন্ত্রের মুক্তিদাতা।
১৯৭৪ সালে এদেশে বাকশালী শাসন কায়েম হওযার পর সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। দুটি সরকারি সংবাদপত্র ব্যতীত অন্য সব সংবাদপত্রের প্রকাশনা ব করে দেয়া হয়। এভাবে স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করা থেকে দেশবাসীকে বঞ্চিত করা হয়। তাছাড়া বাকশাল গঠনের মধ্য দিয়ে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়। কিন্তু জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সংবাদপত্রের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন এবং বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তন করেন। তাঁর রাজনীতি ছিল গণমুখী এবং এই গণমুখী দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। এছাড়াও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনীতিকে উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করেন। গ্রাম উন্নয়নের ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেন। খাল খনন ও গ্রাম সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গ্রাম উন্নয়নের মডেল বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। মহিলা ও শিশুদের উন্নয়নের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করেন এবং শিশু পার্ক ও শিশু একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেন। এভাবে দেশ গড়ার বহুমুখী কর্মকাণ্ড হাতে নেন এবং এই সকল কর্মকাণ্ডে তিনি নিজে অংশগ্রহণ করে দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করেন।
নিজ সততা, কর্মদক্ষতা, দেশপ্রেম ও পরিশ্রম দিয়ে তিনি বাংলাদেশের অতীত গৌরব, আলোকিত বর্তমান, সোনালী সম্ভাবনার প্রতীক-এ পরিণত হয়েছেন। পুরো জাতিকে একই সাথে স্বপ্নবান এবং পরিশ্রমের পথে এগিয়ে নিয়ে অনন্য সাধারণ নেতৃত্বদানের জন্য এ জাতির কাছে তিনি পরম শ্রদ্ধার সাথে অনন্তকাল ধরে স্বরণীয় হয়ে থাকবেন।
তাঁর জীবন বড়ই বিচিত্র। বাংলাদেশী জাতির প্রতিটি প্রয়োজনের মুহূর্তে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন, তাঁকে দায়িত্ব নিতে হয়েছে জাতির প্রতিটি ক্রান্তিকালে। প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন তিনি। সেই সমস্ত সাফল্যের পেছনে ছিল তাঁর নিজস্ব একটা চিন্তা। সেই চিন্তার পথ ধরে বাংলাদেশী জাতিকে তিনি পথ দেখিয়েËেছন। তাঁর প্রদর্শিত পথ ছিল বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে ইমারজিং টাইগারে রূপান্তর করার পথ। তাই বলা যায় তাঁর পথই ছিল এ জাতির জন্য সঠিক পথ। তাইতো জনগনের আস্থা ভালবাসা নিয়ে তাঁর আদর্শের সংগঠন পাঁচবার এ দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তাঁর প্রদর্শিত পথ এ জাতির জন্যে এখনও আলোর পথ। সে পথ দিয়ে অবিচলভাবে চলতে পারলে জাতীয়তাবাদী দল, জাতীয়তাবাদী রাজনীতিক এবং জনগণ একদিন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।
মেজর জিয়া সন্ব েলিখতে গিয়ে মনে পড়ছে আমার ঘনিষ্ঠ বু তখনকার মেজর সালাউদ্দিনের কথা। সালাউদ্দিন মেজর জিয়ার সাথে একই সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন। আমার বু মুক্তিযোদ্ধা মেজর সালাউদ্দিন সম্মুখসমরে বীরের মতো যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছেন। সালাউদ্দিন মেজর জিয়ারও একজন ঘনিষ্ঠ বু ও সহকর্মী ছিলেন। আমি শুনেছি সালাউদ্দিনের মৃত্যুতে জিয়াউর রহমান প্রচণ্ড দুঃখ পেয়েছিলেন। আমি আরও শুনেছি যে, তিনি সবসময়ই সালাউদ্দিনের ঘড়িটি তাঁর নিজের হাতে পরে রাখতেন স্মৃতির নিদর্শন হিসেবে। জিয়াউর রহমান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিনকে কখনো ভোলেননি। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পরও জিয়াউর রহমান সালাউদ্দিনের বাড়িতে তাঁর পরিবারকে দেখতে গিয়েছেন। আমার ইচ্ছা ছিল জিয়াউর রহমানের সাথে কখনো দেখা হলে সালাউদ্দিনের প্রসঙ্গে আলোচনা করবো। কিন্তু সেটা আর হয়ে ওঠেনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম চিরদিন আমাদের জাতীয় ইতিহাসে স্বার্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এবং অনাদিকাল ধরে জাতি তাঁকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment